Shakib Al Hasan

Shakib Al Hasan-শাকিব আল হাসানের অজানা তথ্য

সাকিব আল হাসান (জন্ম: ২৪ মার্চ ১৯৮৭) একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। তিনি বামহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান এবং বামহাতি অর্থোডক্স স্পিনার। তিনি ২৮ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি২০ আন্তর্জাতিক সংস্করণে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশের হয়ে খেলা সর্বশ্রেষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচিত সাকিবকে বিশ্বের অন্যতম সেরা অল-রাউন্ডার বলে গণ্য করা হয়। ১০ বছর ধরে তিনি শীর্ষ অলরাউন্ডার হয়েছেন। আন্তর্জাতিক টেষ্টে তার রেংকিং সর্বোচ্চ। তিনি সবার মাঝে তার সাফল্যকে ধরে রেখেছেন।

ব্যক্তিগত পরিচয়...

তার পূর্ণ নাম শাকিব আল হাসান।

জন্ম.২৪ মার্চ ১৯৮৭ (বয়স ৩৪)

মাগুরা, খুলনা, বাংলাদেশ।

উচ্চতা.৫ ফুট ০৯ ইঞ্চি (১.৭৫ মিটার)

ব্যক্তিগত জীবন.

২০১২ সালে ১২ ডিসেম্বর শাকিব আল হাসান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী উম্মে আহমেদ শিশিরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ঢাকার আন্তর্জাতিক মানের হোটেল রূপসী বাংলায় তার বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। বর্তমানে তার দুটি কন্যা সন্তান এবং একটি পুত্রসন্তানের জনক।

তার ঘরোয়া দলের তথ্য...

২০০৪- বর্তমান-খুলনা বিভাগ

২০১০–২০১১-ওরচেস্টারশায়ার

২০১১–২০১৭-কলকাতা নাইট রাইডার্স

২০১২–২০১৩-খুলনা রয়েল বেঙ্গলস

২০১৩, ২০১৬–বর্তমান-ঢাকা ডায়নামাইটস

২০১৩-লিচেস্টারশায়ার

২০১৩-বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস

২০১৪-বর্তমান-অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স

২০১৫-মেলবোর্ন রেনেগেডস

২০১৫-রংপুর রাইডার্স

২০১৬-করাচি কিংস

২০১৭-পেশোয়ার জালমি

২০১৮-২০১৯-সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ

২০২১-কলকাতা নাইট রাইডার্স

বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার..

একজন অল-রাউন্ডার হওয়া সত্ত্বেও অক্টোবর,২০০৮ এর নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ ট্যুরের আগ পর্যন্ত সাকিবকে বোলার নয়, ব্যাটসম্যান হিসেবেই গণ্য করা হত। টেস্টে সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামলেও ওয়ানডেতে কিন্তু প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের মধ্যেই থাকতেন তিনি। ট্যুরের আগ দিয়ে কোচ জিমি সিডন্স জানালেন, সাকিবকে স্পেশালিস্ট বোলার হিসেবেই টেস্ট সিরিজ খেলানো হবে। কোচকে হতাশ করেননি সাকিব। উদ্বোধনী টেস্টের প্রথম ইনিংসেই তিনি ৩৭ রান দিয়ে তুলে নেন ৭টি উইকেট। তখন পর্যন্ত কোন বাংলাদেশী বোলারের টেস্টে এটাই ছিল বেস্ট বোলিং ফিগার। বাংলাদেশ সিরিজ হারে ২-০ তে, কিন্তু সাকিব ১৭.৮০ গড়ে ১০টি উইকেট নিয়ে সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হন। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচটিতে বাংলাদেশ জয় পায়। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে এটাই ছিল বাংলাদেশের প্রথম জয়। শেষ পর্যন্ত অবশ্য স্বাগতিক দল সিরিজ হারে ২-১ এ। সাকিব ৩ ম্যাচে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে মাশরাফি মুর্তজা (৭ উইকেট)'র পেছনে থেকে সিরিজে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হন।

পরের মাসেই বাংলাদেশ দল দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও একটি টি-২০ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যায়। সাকিবের বোলিং পারফরম্যান্স এখানেও অব্যাহত থাকে। প্রথম টেস্টের প্রথম দিন সাকিব উইকেটশূন্য থাকলে মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন, বাংলাদেশের তৎকালীন সহকারী কোচ, তাকে বলে 'ফ্লাইট' দেবার পরামর্শ দেন। গুরুর উপদেশ শিরোধার্য করে সাকিব দ্বিতীয় দিনেই পাঁচ-পাঁচটি উইকেট তুলে নেন। দ্বিতীয় টেস্টে সাকিব আবারও এক ইনিংসে ৫ উইকেট তুলে নেন। সিরিজ শেষে সাকিবের ঝুলিতে জমা হয় ২০.৮১ গড়ে ১১টি উইকেট। সাকিবের বোলিং দেখে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়ার সাবেক লেগ স্পিনার ক্যারি ও' কীফে তাকে 'বিশ্বের সেরা ফিঙ্গার স্পিনার' হিসেবে অভিহিত করেন। 

পোস্টটি পড়ার জন্য

ধন্যবাদ

Post a Comment

Previous Post Next Post